বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৭, ৩ কার্তিক ১৪২৪, ২৭ মুহাররম, ১৪৩৯ | ০৬:৩৯ অপরাহ্ন (GMT)
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৬:০১:৩১ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

ইসির সঙ্গে সংলাপের রূপরেখা চূড়ান্ত বিএনপির, থাকছে নতুন চমক

ঢাকা: নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপের রূপরেখায় চমক দেখাতে চায় বিএনপি। এই রুপরেখা তৈরির জন্য ইতিমধ্যেই নিয়ে চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে দলটির শীর্ষ কয়েক নেতা। জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের জন্য দলের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য প্রস্তাবের রূপরেখা তৈরির ড্রাফটিং করেছেন কয়েকজন। এর মধ্যে রয়েছেন অন্যতম সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহ। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপের সময় দলের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য প্রস্তাবগুলোর মধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি)-এর ক্ষমতার পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার, সহায়ক সরকার গঠন ও সংসদ ভেঙে দেওয়াসহ বেশ কয়েকটি বিষয়কে সামনে আনছে বিএনপি। তবে প্রস্তাব উত্থাপনের আগে গোপনীয়তা রক্ষা করছে দলটি। রুপরেখা তৈরির ওই বৈঠকে অংশ নেওয়া একটি সূত্র জানায়, গুলশানের বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমদু চৌধুরী ও সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে যে আলোচনা করা হয়েছে। এই আলোচনার বর্ণনাসহ পুরো খসড়াটি পাঠানো হবে লন্ডনে অবস্থানরত দলের প্রধান খালেদা জিয়ার কাছে। সেখানে অবস্থান করা বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ খালেদা জিয়া বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন। বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপের সময় দলটির প্রস্তাবের রূপরেখায় মূল ফোকাস থাকবে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীন কার্যক্রমের ওপর। সাংবিধানিকভাবে প্রাপ্ত ইসি’র ক্ষমতা যেন পুরোপুরি ব্যবহার করার পরিবেশ নিশ্চিত করা যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত পরামর্শ দেবে বিএনপি। এছাড়াও বিএনপির প্রস্তাবের একটি মৌলিক জায়গা থাকবে গত বছরের ১৮ নভেম্বর হোটেল ওয়েস্টিনে খালেদা জিয়ার প্রস্তাবিত নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের ধারাগুলো। এর বাইরে নির্বাচনে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোয় ক্যামেরা স্থাপন, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রদান, নির্বাচনী এলাকার পুনঃনির্ধারণ এবং শুনানি গ্রহণের বিষয়টি রয়েছে। এছাড়া নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণার প্রাক্কালে নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়, যেমন: স্বরাষ্ট্র, অর্থ, তথ্য, জনপ্রশাসন, স্থানীয় সরকার, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, পররাষ্ট্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য থাকবে। সাধারণ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচিত নতুন সরকার দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত এ ব্যবস্থা বলবৎ থাকার প্রস্তাব রাখতে পারে বিএনপি

CLOSE[X]CLOSE

আরো খবর