শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১২ ফাল্গুন ১৪২৪, ৮ জমাদিউস সানি, ১৪৩৯ | ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন (GMT)
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি


সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮ ০৩:৩৬:৩১ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

ঢাকায় বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স ২৩০ কোটি টাকা

রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশনের বাড়ির মালিকরা হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ ২৩০ কোটি ৭৪ লাখ ৯৪ হাজার ২৯৭ টাকা বকেয়া রেখেছে। তবু ঢাকায় শুধু মশা মারার কাজে ২৮৮ জনকে নিয়োজিত রেখেছে সরকার। জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পীকার এ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাড়ির মালিকদের কাছে হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ ৭৩ কোটি ৭৪ লাখ ৯৪ হাজার ২৯৭ টাকা বকেয়া রয়েছে। আর উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বাড়ির মালিকদের কাছে প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। তিনি জানান, ঢাকা সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় হোল্ডিং নম্বরবিহীন কোন বাড়ি নেই। চট্টগ্রামের এমপি দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের সাংগঠনিক কাঠামোতে ৩৯৬ পদ রয়েছে। এর মধ্যে শূন্য ৭৪টি পদে লোক নিয়োগের ছাড়পত্র পাওয়া গেছে। তিনি আরো জানান, ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীরা ডিসিসি উত্তর ও দক্ষিণে প্রেষণে কর্মরত আছেন। তারা সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে মশক নিধনের কাজ করছে। সরকার দলীয় অপর সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে শতকরা ৮৭ ভাগ জনগণ নিরাপদ পানির সুবিধার আওতাভূক্ত। যে হিসাবে দেশে মোট ১৩ কোটি ৯২ লাখ জনগণ নিরাপদ পানির সুবিধা ভোগ করে থাকে। অবশিষ্ট ১৩ ভাগ জনগণ দূরবর্তী অন্যান্য নিরাপদ পানির উৎস থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করে থাকে। তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে ৯৯ ভাগ জনগণ মৌলিক স্যানিটেশনের অন্তর্ভূক্ত। এর মধ্যে ৬১ ভাগ জনগণ উন্নত ল্যাট্রিন, ২৮ ভাগ জনগণ যৌথ ল্যাট্রিন এবং ১০ ভাগ জনগণ অনুন্নত ল্যাট্রিন ব্যবহার করেন। সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সুপেয় পানি ও কৃষি কাজে ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর অধিকহারে নির্ভরশীলতার কারণে ইতোমধ্যে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর ৩ মিটার হতে ১০ মিটার পর্যন্ত নীচে নেমে গিয়েছে। ফলে শুস্ক মৌসুমে নলকূপে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পাওয়া যায় না। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে পৌণে চারশ’ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে ৮০৯টি পুকুর পুনঃখনন করা হচ্ছে।





আরো খবর