মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২ রবিউল আওয়াল, ১৪৩৯ | ০২:২৬ পূর্বাহ্ন (GMT)
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি


শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:১৪:৫৩ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

২১ দিনে ১২ বার ধর্ষণ', বিস্ফোরক অভিযোগ শ্রীলঙ্কার সেনাদের বিরুদ্ধে!

মুখ খুলেছেন মাত্র ২০ জন। তাতেই বেরিয়ে এসেছে ভয়ঙ্কর তথ্য। বিষয়ের গভীরে ঢুকতে বাধ্য হয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। হস্তক্ষেপে এগিয়ে এসেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলোও। তবে প্রকৃত সংখ্যাটি কমপক্ষে ৫০। শ্রীলঙ্কায় গৃহযুদ্ধের পর দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে বন্দি হয়ে চরম নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন যারা। ১৯৮৩ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত চলা দু'দশকের বেশি দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আনা শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম এএফপির এক প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এমনই কিছু শিহরণ জাগানো তথ্য। যেখানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তামিল পুরুষরা বর্বর অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছেন শ্রীলঙ্কান সেনা ও গোয়েন্দাদের বিরুদ্ধে। এক সময়ে বন্দি ওই ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে এএফপি। সেখানে লঙ্কান প্রশাসনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন অত্যাচারের বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন বহু তামিল পুরুষ। শরীরের বিভিন্ন অংশের ছবির মাধ্যমে তারা দেখিয়েছেন কীভাবে দিনের পর দিন অত্যাচারের শিকার হয়েছিলেন তারা। এই বন্দিদের অধিকাংশই বর্তমানে ব্রিটেনের বাসিন্দা। এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারা বলেছেন, অন্ধকার ঘরে বন্দি করে রাখা হতো তাদের। একজন তামিল ব্যক্তি বলেন, ২১ দিন ছোট্ট একটা অন্ধকার ঘরে বন্দি ছিলাম। ১২ বার ধর্ষণ করা হয় আমায়। এছাড়াও চলতো গোপনাঙ্গে সিগারেটের ছ্যাঁকা, লোহার রড দিয়ে পেটানো। পুরুষরা ছাড়াও নারী ও নাবালক মেয়েদেরও অত্যাচার করতো সেনা ও গোয়েন্দার একাংশ। কখনও সামিল হতেন পুলিশ কর্মকর্তারাও। দক্ষিণ আফ্রিকান মানবাধিকার কর্মী পিয়ার্স পিগৌ জানিয়েছেন, যে ধরনের যৌন নির্যাতন করা হয়েছে, তাতে শ্রীলঙ্কান কর্মকর্তারা বিকৃতমস্তিষ্ক বলে মনে হচ্ছে আমার। আক্রান্তদের মানসিক ও শারীরিক সাহায্য দিচ্ছেন এই মানবাধিকার কর্মীরা। যদিও প্রাথমিক ভাবে সব অভিযোগ অস্বীকার করলেও তদন্তে রাজি হয়েছে শ্রীলঙ্কা প্রশাসন। তবে একইসঙ্গে তাদের দাবি, উন্নত দেশগুলোতে আশ্রয় পেতে অনেক সময় এই ধরনের গল্প ফাঁদেন বন্দিরা। সূত্র: এই সময়।






আরো খবর