রোববার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৯ আশ্বিন ১৪২৪, ৩ মুহাররম, ১৪৩৯ | ০৩:৫৮ অপরাহ্ন (GMT)
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
শনিবার, ১৫ জুলাই ২০১৭ ০২:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

পোশাক শিল্পের কারণে রপ্তানি আয়ে হোঁচট

ঢাকা: ২০১৬-১৭ অর্থবছরে পোশাক খাতের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় হোঁচট খেয়েছে মোট রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন। ফলে রপ্তানি আয় বাড়লেও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি তৈরি পোশাক শিল্পে। তাই নতুন বাজার তৈরি, প্রতিযোগিতায় ঠিকে থাকতে জনবলের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন শিল্প মালিকরা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি আয়ের পর ২০১৬-১৭ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৩৭ বিলিয়ন ডলার। তবে ১ দশমিক ৬.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে শেষ হওয়া গত অর্থবছরে আয় হয়েছে ৩৫ বিলিয়ন ডলারেরও কম। রপ্তানি আয়ের চিত্র অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে, প্লাস্টিক, চামড়া, মসলা, চা, সার, প্রকৌশল যন্ত্রপাতি, তুলা ও তুলা জাতীয় পণ্য রপ্তানিতে। তবে, লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ ভাগের বেশি যোগান দেয়া তৈরি পোশাক খাতে। এজন্য বিশ্ববাজারে মন্দাভাব ও শ্রমিকদের কর্মদক্ষতার অভাবকে বড় করে দেখছেন শিল্প মালিকরা। এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিজিএমইএ সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ইচ্ছা করলেই আমরা দাম বাড়িয়ে দিতে পারবো না। কারণ ইন্টারন্যাশনাল বাজারে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা দাম কমিয়ে দিয়েছে। এই ক্ষতি আমাদেরকে প্রোডাক্টিভিটি দিয়ে পূরণ করতে হবে। বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বিগত দিনে আমরা কোনও গ্যাসের সংযোগ পাইনি। বেক্সিটে পাউন্ডের দরপতন, আমেরিকায় ইলেকশন ইত্যাদি নিয়ে ওয়ার্ল্ড মার্কেটও ঘুরে দাঁড়ায়নি। এদিকে এই অবস্থার পরিবর্তন ও ২০২১ সাল নাগাদ ৬০ বিলিয়ন ডলারের মোট রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণে নতুন বাজার তৈরির পরামর্শ দেন অর্থনীতিবিদরা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিপিডি গবেষক তৌফিকুল ইসলাম বলেন, অর্থনৈতিক যে কূটনৈতিক আছে সেটিও মনে হয় আমাদের নতুন কর ভাবতে হবে। শেয়ার বাজারের পাশাপাশি দ.আফ্রিকার যে বাজারগুলো আছে সে দিকেও নজর দিতে হবে আমাদের। এদিকে নতুন বাজারে যেতে চান শিল্প মালিকরা। এজন্য ব্যবসা বান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা নিশ্চিতের পাশাপাশি সরকারকে সম্ভাব্য দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের তাগিত দেন তারা। বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান আরো বলেন, এখন রাশিয়া একটি বড় বাজার। রাশিয়ায় ৪০ শতাংশ ডিউটি আছে। আমরা কেন তাদের কাছ থেকে সুবিধা নিচ্ছি না। উৎপাদন ব্যবস্থা শক্তিশালী ও নিশ্চিত করতে আগামীতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ এবং এলএনজি ব্যবহারের খরচ যেন অতিরিক্ত বেড়ে না যায় সেদিকেও নজর দেয়ার পরামর্শ দেন শিল্প সংশ্লিষ্টরা।

CLOSE[X]CLOSE

আরো খবর