শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭, ৫ কার্তিক ১৪২৪, ২৯ মুহাররম, ১৪৩৯ | ০৩:১১ পূর্বাহ্ন (GMT)
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১৭ ০৩:৫৯:৫৯ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

পুঁজিবাজারের তেজীভাব: সর্বোচ্চ অবস্থানে ডিএসইএক্স

একের পর এক রেকর্ড গড়েই চলেছে দেশের পুঁজিবাজার। সেই সঙ্গে সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন সব ইতিহাস। ২০১০ সালের ধস পরবর্তী টানা মন্দায় যেসব বিনিয়োগকারীরা বাজারের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন তারা ভাবতেই পারেন নাই যে এতো স্বল্প সময়ে বাজার ধসের আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। সূচক কিংবা লেনদেনে পুঁজিবাজার গত ছয় বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলেছে। আর সবচেয়ে বড় বিষয় হলো বাজার মূলধনে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। অর্থমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও বাজার সংশ্লিষ্টদের ইতিবাচক বক্তব্যের কারণেই তেজিভাব বজায় রয়েছে বাজারে। প্রতিদিনই মূল্য সূচক বেড়ে সর্বোচ্চ অবস্থানে যাচ্ছে।  মঙ্গলবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। এদিন ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৭০৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি সূচকটি চালু হওয়ার পর এটিই সর্বোচ্চ অবস্থান। এদিকে লেনদেন সামান্য কমলেও দুই হাজার কোটির ঘর অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার ডিএসইতে দুই হাজার ১৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে;যা আগের দিনের তুলনায় ১৬৭ কোটি ৩৪ লাখটাকা কম। গতকাল ডিএসইতে দুই হাজার ১৮০ কোটি ৭৯ লাখটাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। আজ ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩২৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১৪টির, কমেছে ১৯৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টির শেয়ার দর। একইভাবে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচকও সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। এই সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩০১ পয়েন্টে। এই সূচকটি ২০১৪ সালের ২০ জানুয়ারি চালু হয়। ডিএস৩০ সূচকও সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। এই সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে দুই হাজার ৪০ পয়েন্টে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। আজ সিএসইতে ১১৯ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১১৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৬৮৯ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেনহয়েছে ২৭২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৮৮টির, কমেছে ১৬৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টির। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, গত কয়েক বছরে পুঁজিবাজারে যে সংস্কার করা হয়েছে এর মাধ্যমে বাজারের ভিত্তি তৈরি হয়েছে। আর সেটাকে কেন্দ্র করে আগামি দিনগুলোতে বাজারের আরও উন্নয়ন ঘটবে। এছাড়াও সামনে ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক খাতের ডিভিডেন্ডকে কেন্দ্র করে এসব খাতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। যা বিনিয়োগকারীদের উৎফুল্ল করে তুলছে। যার প্রভাবে প্রতিদিনই বাজারে সূচক ও লেনদেন বেড়েছে। তারা আরও বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় বর্তমানে বাজার ভালো অবস্থায় রয়েছে। ক্ষুদ্র, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করছে। এভাবে চলতে থাকলে খুব শিগগিরই সূচক ৬ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করবে। পাশাপাশি দুই হাজার কোটি টাকার লেনদেনও হবে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বেশকিছু লোকসানি ও স্বল্পমূলধনী কোম্পানির অস্বাভাবিক দর বাড়ায় উৎকন্ঠাও প্রকাশ করেন তারা।

 
 

CLOSE[X]CLOSE

আরো খবর