সোমবার, ২১ আগস্ট ২০১৭, ৬ ভাদ্র ১৪২৪, ২৮ জিলকদ, ১৪৩৮ | ১২:০৩ অপরাহ্ন (GMT)
ব্রেকিং নিউজ :
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০১৭ ০৪:৫০:৩৯ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

প্রথমবারের মতো মানব জিন সম্পাদনা

যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী প্রথমবারের মতো মানব জিন সম্পাদনা করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁদের দাবি, এই প্রযুক্তির ব্যবহারে ভ্রূণ অবস্থায় মানব জিন সম্পাদনা করা সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ডে অরেগন হেলথ অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটির (ওএইচএসইউ) একদল বিজ্ঞানী গবেষণায় এ সাফল্য পেয়েছেন। ওএইচএসইউর সেন্টার ফর এমব্রায়োনিক সেল অ্যান্ড জিন থেরাপির প্রধান শৌখ্রত মিতালিপফের নেতৃত্বে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে। মানব ভ্রূণে জিন সম্পাদনার চেষ্টা এই প্রথম নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি প্রকাশিত সাময়িকী এমআইটি টেকনোলজি রিভিউয়ে বলা হয়েছে, এর আগে এত সংখ্যক ভ্রূণের ওপর কাজও করা হয়নি কিংবা এতটা নিরাপদ উপায়ে ও দক্ষতার সঙ্গে তা সম্পন্ন হয়নি। গবেষকেরা বলেছেন, তাঁদের গবেষণায় সিআরআইএসপিআর নামে পরিচিত একটি প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তি আণবিক কাঁচির মতো কাজ করে, যার মাধ্যমে জিনের অনাকাঙ্ক্ষিত অংশ কেটে অপসারণ এবং এর জায়গায় নতুন ডিএনএ সেলাই করে দেওয়া যায়। ওএইচএসআইয়ের মুখপাত্র এরিক রবিনসন জানিয়েছেন, গবেষণার ফলাফল খুব শিগগির কোনো একটি বিজ্ঞান জার্নালে প্রকাশিত হবে। চীনের গবেষকেরাও একই ধরনের একটি গবেষণা চালিয়েছেন বলে দাবি করেছেন। এর আগে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেসে (এনএএস) বিজ্ঞানী ও নীতিশাস্ত্রবিদদের একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে মত প্রকাশ করা হয়, নিরাপত্তা ও কার্যক্ষমতার ইস্যুগুলো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসাবিদ্যায় মানব ভ্রূণ সম্পাদনা প্রযুক্তির ব্যবহার হবে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ কাজ। তবে এ বছরের শুরুর দিকে এনএএস এবং ন্যাশনাল একাডেমি অব মেডিসিন বলে, বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা মানুষের প্রজনন কোষে জিন সম্পাদনাকে ‘একটি বাস্তবিক সম্ভাবনা হিসেবে উপস্থাপন করেছে, যা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার দাবি রাখে’।

CLOSE[X]CLOSE

আরো খবর