শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৩, ২৮ জমাদিউল আওয়াল, ১৪৩৮ | ০৯:১৫ অপরাহ্ন (GMT)
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ ০২:০৭:২৯ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

রবিবার বাণিজ্যমন্ত্রী সঙ্গে মাংস ব্যবসায়ীদের বৈঠক

 

 

ঢাকা: চার দফা দাবিতে গত সোমবার থেকে মাংস বিক্রেতাদের ধর্মঘট চলছে। এতে করে সমগ্র ঢাকায় মাংসের যোগান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে হোটেল ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ।

সংকট নিরসনের লক্ষ্যে আগামী রবিবার বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও ঢাকা উত্তর সিটি মেয়রের সঙ্গে বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে

গাবতলী গরুর হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তাকে অপসারণসহ চার দফা দাবিতে গত সোমবার থেকে মাংস বিক্রেতারা এ ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছে।

 

বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম জানিয়েছেন, আগামী রবিবার বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন তাদের ডেকেছেন। বেলা ১১টায় মাংস ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, একই দিন দুপুর ২টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রের সঙ্গে বৈঠক হবার কথা রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আলোচনার মাধ্যমে আমাদের দাবি মেনে নেয়া হবে।

১৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আগামীকাল শনিবার পর্যন্ত আমাদের ধর্মঘট ছিল। আমরা তা পালন করব। মন্ত্রী ও সিটি করপোরেশন আমাদের ডেকেছেন, আমরা যাব। বৈঠকে আমাদের সব দাবি মেনে নিলে মাংসের কেজি ৪০০ টাকার নিচে নেমে আসবে। ভারত, নেপাল, ভুটান ও মিয়ানমার থেকে বৈধ পথে গরু আমদানি করা হলে প্রতিকেজি মাংস ৩০০ টাকায় বিক্রি করা যাবে।

সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের দাবি মেনে নিন, তা না হলে ইচ্ছেমতো দামে মাংস বিক্রি করার হুকুম দিন। ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে জেল-জরিমানা বন্ধ রাখুন। ইজারাদার, চামড়া ব্যবসায়ী, হুন্ডি ব্যবসায়ী, ঢাকা উত্তর সিটির কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার কারণে ৫০০ টাকা কেজিতে মাংস বিক্রি করতে হচ্ছে।

রবিউল আলম বলেন, তাদের দাবি-দাওয়া মেনে না নিলে সারা বাংলাদেশে অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘট ডাকা হবে। মানা হলে ধর্মঘটের আর কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি আশা করছেন ধর্মঘট আর লাগবে না।

মাংস ব্যবসায়ী সমিতির এই নেতা আরো বলেন, দাবি মানা এক জিনিস আর বাস্তবায়ন করা আরেক জিনিস। বাস্তবায়ন যদি করে তো একটু সময় লাগবে। যদি গরু আমদানি ওইভাবে বাস্তবায়ন করে আনা হয় তাহলে ৩০০ টাকার কমেও মাংস খাওয়ানো সম্ভব।

রবিউল আলম বলেন, গরুর চামড়া এক সময়ে ৪০০০-৫০০০ টাকায় বিক্রি করতাম, সেই চামড়া এখন ২০০-৬০০ টাকায় বিক্রি করতে হয়। ছাগলের যে চামড়া আমরা এক সময় ৫০০-৬০০ টাকায় বিক্রি করতাম, তা এখন ২০-৩০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। এ সময় ঢাকা মহানগর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শেখ আব্দুল বারেক ও সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরো খবর