বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৬ আশ্বিন ১৪২৪, ২৯ জিলহাজ, ১৪৩৮ | ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন (GMT)
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৫:০৫:০৬ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

সংসদে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

ঢাকা: ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের পর্যবেক্ষণে সংসদ, বিচারবিভাগ ও স্বাধীনতাযুদ্ধে একক নেতৃত্বসহ কিছু বিষয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য করায় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি। বুধবার জাতীয় সংসদে ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে তিনি এ দাবি জানান। ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি বলেন, কাদের পারপাস সার্ভ করতে এই অশুভ পাঁয়তারা? পাকিস্তানের সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল কেন তাদের এত পছন্দ? সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল অনুসরণ করে পাকিস্তানসহ কয়েকটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি যেসব কাজকর্ম করছেন, তিনি বিচারবিভাগকে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছেন। প্রধান বিচারপতিকে বলতে চাই, আপনি বলেছেন বিচারবিভাগ ডুবতে ডুবতে নাক উঁচু করে কোনোভাবে টিকে আছে, এই ধরনের অসত্য বক্তব্য দেবেন না। বাপ্পি আরও বলেন, আইনমন্ত্রীকে বলবো এই রায়, পর্যবেক্ষণ ও প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, বিচারবিভাগের স্বাধীনতার নামে স্বাধীনতা বা সার্বভৌমত্ব কি আমরা অস্বীকার করতে পারি? এই রায়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রের অন্য দুটি অঙ্গকে অস্বীকার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই রায় দেয়ার কোনো এখতিয়ার আপিল বিভাগের নেই। কাজেই এই রায় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আইনমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো এই রায়ের বিরুদ্ধে তিনি কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন। উল্লেখ্য, গত ১ আগস্ট ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা চলে। রায়ে ষোড়শ সংশোধনীকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হয় এবং সামরিক শাসনামলে চালু করা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের ব্যবস্থা পুনঃস্থাপিত করার কথা বলা হয়। সাত বিচারপতির ঐকমত্যের ভিত্তিতে দেয়া ৭৯৯ পৃষ্ঠার এই রায়ে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা নিজের পর্যবেক্ষণের অংশে দেশের রাজনীতি, সামরিক শাসন, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি, সুশাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমালোচনা করেন।

CLOSE[X]CLOSE

আরো খবর