রোববার, ২৩ জুলাই ২০১৭, ৮ শ্রাবণ ১৪২৪, ২৮ শাওয়াল, ১৪৩৮ | ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন (GMT)
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
সোমবার, ১৭ জুলাই ২০১৭ ০৩:২৯:২৪ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন মন্দের ভাল, তবে মামা খালু বেড়ে যেতে পারে

মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশ্বে এ ধরনের চিকিৎসা ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বাংলাদেশও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। তবে সঠিক আইনের অভাবে এ ধরনের রোগীরা দেহে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সংযোজন করতে গিয়ে নানাভাবে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। এতে এক শ্রেণীর দালার চক্র কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। তাই বিভিন্ন মহলের দাবির প্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা থেকে রক্ষা এবং সঠিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে দেশে বিদ্যমান(মানবদেহে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন-১৯৯৯ এর আইন সংশোধন করে মানব দেহের অঙ্গ প্রতঙ্গ প্রতিস্থাপন আইন ২০১৭’র খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। মানবদেহে অঙ্গ প্রতঙ্গ প্রতিস্থাপনে এই নতুন আইনকে মন্দের ভাল বলে আখ্যায়িত করেছেন দীর্ঘ দিন থেকে এ নিয়ে আন্দোলন করে আসা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সরকারের এটা একটা ভাল উদ্যোগ। এরফলে এতোদিন যে আইনটির কারণে মানব দেহের অঙ্গ প্রতঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্র ছিল খুবই সংকীর্ণ সেখানে এর পরিসর আরেকটু বেড়েছে। তবে এর ফলে এখন মামা, চাচা, খালুর সংখ্যা বেড়ে নতুন প্রতারণা শুরু হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন তিনি। এ জন্য সরকারকে তার প্রস্তাবটি পুনর্বিবেচনার জন্য আহ্বান জানান।

CLOSE[X]CLOSE

আরো খবর