রোববার, ২৩ জুলাই ২০১৭, ৮ শ্রাবণ ১৪২৪, ২৮ শাওয়াল, ১৪৩৮ | ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন (GMT)
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
সোমবার, ১৭ জুলাই ২০১৭ ০৩:২৪:৩৩ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

২ ব্যাংক কর্মকর্তাকে বাদ, আসলাম পরিবারের বিরুদ্ধে দুদকের প্রতিবেদন

ঢাকা: এজাহারভুক্ত দুই ব্যাংক কর্মকর্তার নাম বাদ দিয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীসহ তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রায় ৩২৬ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১৬ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় ছয়জনকে আসামি করে মামলাটি হয়। মামলার বাদী দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এর উপসহকারী পরিচালক মানিক লাল দাস। তবে সোমবার এ মামলায় এজাহারভুক্ত দুজন পদস্থ ব্যাংক কর্মকর্তাকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দিয়েছে দুদক। আসলাম চৌধুরীসহ মামলার বর্তমান তিন আসামি হলেন রাইজিং স্টিল মিল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও আসলামের স্ত্রী জামিলা নাজনীন মাওলা, ছোট ভাই ও একই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আমজাদ হোসেন চৌধুরী, পরিচালক জসীম উদ্দিন চৌধুরী। অভিযোগপত্র থেকে যাদের বাদ দিয়েছে দুদক, তারা হলেন- এবি ব্যাংকের সাবেক এমডি এ কে এম ফজলুর রহমান এবং এবি ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের হিসাব ও অডিট বিভাগের বর্তমান জিএম বদরুল হক খান। যদিও এ দুজনকে গত বছরের ১৬ জুলাই মামলা করার পরপরই গ্রেফতার করা হয়েছিল। দু'জনকে বাদ দেয়া প্রসঙ্গে দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, মামলার তদন্তে দেখা গেছে এই দুই ব্যাংক কর্মকর্তা ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী কাজ করেছেন। তাই এ কে এম ফজলুর রহমান ও বদরুল হক খানকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এবি ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখা থেকে তিনটি ঋণপত্রের বিপরীতে ৩২৫ কোটি ৭৬ লাখ ৩০ হাজার ৯৫৫ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়ার বিপরীতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জামানত না নিয়ে শুধু ১৭ কোটি ৪০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা দামের দুটি জমির দলিল এবং ট্রাস্ট রিসিপ্ট ও তিনটি চেক জামানত হিসেবে গ্রহণ করে ব্যাংক। পুরোনো জাহাজ কেনাবেচার ব্যবসায় নিয়োজিত রাইজিং স্টিল কোম্পানিকে ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে ব্যাংকটির সে সময়ের এমডি ও ডিএমডি নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। আগ্রাবাদ শাখার ব্যবস্থাপক ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে ঋণ অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব না পাঠালেও এমডি-ডিএমডি ওই প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ঋণ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

CLOSE[X]CLOSE

আরো খবর