শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ৫ রবিউল আওয়াল, ১৪৩৯ | ১১:০৮ পূর্বাহ্ন (GMT)
ব্রেকিং নিউজ :
X
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি


শনিবার, ১১ নভেম্বর ২০১৭ ১০:৫৯:২৫ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

৬ নারীকে ধর্ষণ-ভিডিও ফেসবুকে: ছাত্রলীগের সেই নেতা বহিষ্কার

শরীয়তপুর: ফাঁদে ফেলে ছয় নারীকে ধর্ষণসহ ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ারে অভিযোগে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন হাওলাদারকে ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মহসিন মাদবর ও যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ উজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এদিকে, এখনো ক্ষতিগ্রস্ত ওই নারীদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো হচ্ছে। আপত্তিকর ছবির সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের ছবি যুক্ত করেও প্রচারণা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রামবাসী জানায়, শুক্রবার থেকে ফেসবুকে ধর্ষণের শিকার নারীদের ছবি ও ভিডিও আপলোড করতে থাকেন কয়েকজন। আরিফ হোসেন ও ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের আপত্তিকর ছবির সঙ্গে নারায়ণপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজাহিদ মাঝি ও সাধারণ সম্পাদক আবুল মাদবরের ছবি যুক্ত করে ফেসবুকে ছড়ানো হচ্ছে। রাজীব মাদবর নামে এক যুবকের ফেসবুক পেজ থেকে এ রকম ছবি পোস্ট করা হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজীব মালয়েশিয়া প্রবাসী। তিনি নারায়ণপুরের ইকরকান্দি গ্রামের আমিনুল হক মাদবরের ছেলে। গতকাল সন্ধ্যায় প্রথমে কেএম সাইফুল ইসলাম নামের একজনের আইডি থেকে ওই নারীদের সঙ্গে আরিফ হোসেনের কয়েকটি আপত্তিকর ছবি আপলোড করা হয়। সেখানে মন্তব্যে রাত ৮টা ৪০ মিনিটে ও রাত ৮টা ৪২ মিনিটে দুটি ভিডিও আপলোড করেন রাজীব মাদবর নামের ওই যুবক। রাজীব মাদবরের বাবা আমিনুল হক মাদবর বলেন, রাজীব পাঁচ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় থাকে। সে কেন ফেসবুকে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছে, তা আমি জানি না। আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি। শরীয়তপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মহসিন মাদবর বলেন, আরিফ যে কাজ করেছে, তা কোনো মানুষ সমর্থন করতে পারে না। আমরা সবাই তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। সাংগঠনিকভাবে সর্বোচ্চ শাস্তিস্বরূপ তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। নারায়ণপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজাহিদ মাঝি বলেন, আরিফ অন্যায় করেছে, তার সাংগঠনিক শাস্তি হয়েছে। আমরা তো কেউ ফৌজদারি অপরাধের শাস্তি দিতে পারব না। আরিফকে আমরা কেউ প্রশ্রয়ও দিইনি। তাহলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা কেন তাদের আপত্তিকর ছবির সঙ্গে আমাদের ছবি জুড়ে বদনাম ছড়াচ্ছে। এ বিষয়টি নিয়ে আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি। ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদি হাসান বলেন, আমরা আরিফকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। ক্ষতিগ্রস্ত মেয়েদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি। কেউ মামলা করতে চান না।





আরো খবর