শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৭ আশ্বিন ১৪২৪, ১ মুহাররম, ১৪৩৯ | ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন (GMT)
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৮:৩৪:২২ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

অবশেষে খোলা হলো বাঁশ, নির্মাণ কাজ বন্ধ

বান্দরবান: বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হওয়ার পর অবশেষে গোপনে খুলে ফেলা হয়েছে বান্দরবান সরকারি মহিলা কলেজের ভবন নির্মাণ কাজে রডের পরিবর্তে ব্যবহার করা বাঁশ। বন্ধ রাখা হয়েছে নির্মাণ কাজ। জানা যায়, বান্দরবান সরকারি মহিলা কলেজের ভবন নির্মান কাজে রডের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে বাঁশ। এঘটনা স্থানীয় সাংবাদিকদের নজরে আসার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সাথে সংবাদ প্রচার করা হলে দেশ ব্যাপী আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে। প্রকাশিত সংবাদ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয় সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে বৃহস্পতিবার পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে একটি দল সরকারি মহিলা কলেজের ভবন নির্মাণ কাজ পরির্দশন করেন। এসময় ভবন নির্মাণ কাজে রডের পরির্বতে বাঁশ ব্যবহারের ঘটনার সত্যতা প্রমান পাওয়া যায়। কিন্তু বুধবার রাতেই ঠিকাদারের লোকজন রডের পাশাপাশি বাঁধা বাঁশ গুলো খুলে সরিয়ে ফেলে। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ সাংবাদিকদের জানান, মহিলা কলেজের ভবন নির্মাণ কাজে রডের পরির্বতে বাঁশ ব্যবহারের চেষ্টার ঘটনাটির সত্যতা পাওয়া গেছে। আসলে বিষয়টি অনাকাঙ্খিত এবং অপ্রত্যাশিত। আমার দীর্ঘ চাকুরি জীবনে এই ঘটনা প্রথম। মনে হয় ঘটনাটি ঠিকাদার জানতেন না এবং নির্মাণ শ্রমিকরা নিজ দায়িত্বে এই কাজ করেছেন। বর্তমানে কাজটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে ৯১ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা ব্যয়ে ভবনটির নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইউএন এন্টারপ্রাইজ। সরকারি মহিলা কলেজের ৪তলা ভবনের ড্রপ ওয়ালের নির্মাণ কাজে অধিক লাভের আশায় ঠিকাদার রডের পাশাপাশি প্রচুর পরিমান বাঁশ ব্যবহার করে। প্রতিটি ধাপে ৫ ইঞ্চি পর পর বাঁধে ছোট ছোট অসংখ্য বাঁশ। এভাবে প্রায় ২০০শ ফুটেরও অধিক জুড়ে এ বাঁশ বাঁধা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ কাজটির ঠিকাদার ও স্থানীয় আ’লীগ নেতা উজ্জল দাশ প্রভাব বিস্তার করে উন্নয়ন বোর্ডের সিংহ ভাগ কাজ হাতিয়ে নেয়। উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের নামে তিনি চালায় দুর্নীতি ও লুটপাট। ভবন, রাস্তা , ব্রীজ ও কালভাট নির্মাণ কাজে তিনি দুর্নীতি ও অনিয়ম ছাড়া ভাল কাজ করেনি। যার ফলে অল্প সময়ে তিনি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন।

CLOSE[X]CLOSE

আরো খবর