বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৮, ৫ মাঘ ১৪২৪, ১ জমাদিউল আওয়াল, ১৪৩৯ | ০৯:৩৪ অপরাহ্ন (GMT)
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি


বুধবার, ০৮ নভেম্বর ২০১৭ ০১:০২:০৪ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

গুগলের মার্চেন্ট একাউন্টে যুক্ত হলো বাংলাদেশ

গুগল কর্তৃপক্ষ তাদের মার্চেন্ট একাউন্টে বাংলাদেশকে যুক্ত করেছে। গুগলের সাপোর্ট সেন্টার ‘লোকেশনস ফর ডেভেলপার অ্যান্ড মার্চেন্ট রেজিস্ট্রেশন’ বিভাগে মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশের নাম যুক্ত করা হয়। এর ফলে বাংলাদেশী অ্যান্ড্রয়েড ডেভলপাররা এখন থেকে ‘গুগল প্লে’তে অ্যাপ বিক্রি করতে পারবে। এদিকে গুগলের ‘লোকেশনস ফর ডেভেলপার অ্যান্ড মার্চেন্ট রেজিস্ট্রেশন’ বিভাগে বাংলাদেশ যুক্ত হওয়ায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, গুগল বাংলাদেশের মোবাইল এপ্লিকেশন ডেভেলপারদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করায় তিনি আনন্দিত। পলকের উদ্ধৃতি দিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী গত বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে সিনিয়র কাউন্সিলর উইলসন এল হোয়াইটের নেতৃত্বে গুগল কর্তৃপক্ষের একটি প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠক করেছিলেন। বৈঠকের অন্যতম এজেন্ডা ছিলো, বাংলাদেশের ডেভেলপাররা যেন মার্চেন্ট একাউন্ট করতে পারে, যা দিয়ে ইন-এপ্লিকেশন পেমেন্ট ও পেইড-এপ্লিকেশন পাবলিশ করা সম্ভব। তিনি বলেন, গত মাসে গুগলের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি দল ‘আইসিটি বিভাগে আমাদের সাথে আবারও বৈঠকে বসে। আমি সে বৈঠকেও পুনরায় বাংলাদেশের ডেভেলপারদের পক্ষ থেকে তাদের দাবি উত্থাপন করি। আজ গুগলের মার্চেন্ট একাউন্টের তালিকায় গুগল বাংলাদেশকে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে গুগল তাদের পূর্ব ঘোষিত আশ্বাসের বাস্তবায়ন ঘটালো।’ এজন্য প্রতিমন্ত্রী গুগল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। পলক বলেন, গুগল মার্চেন্টের এ সুবিধা বংলাদেশের মোবাইল এপ্লিকেশন ডেভেলপারদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং মোবাইল এপ্লিকেশন ও গেইম ডেভেলপমেন্ট আরো প্রসারিত হবে। এর ফলে আমাদের দেশীয় গেইম ও অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারদের বৈশ্বিক পদচারণা বাড়বে প্রতিমন্ত্রী বিশ্বাস করেন। জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘এভাবেই আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসনিার নেতৃত্বে ও প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টার তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে ডিজিটাল ইকোনমির পথ প্রশস্ত করতে সক্ষম হবো। আইসিটি খাতে ২০ লাখ মানুষের কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি পাঁচ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমান অর্থ আয় করতে পারবো।’




আরো খবর