শনিবার, ২৯ জুলাই ২০১৭, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৪, ৫ জিলকদ, ১৪৩৮ | ১১:৫২ পূর্বাহ্ন (GMT)
ব্রেকিং নিউজ :
X
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
সোমবার, ১৭ জুলাই ২০১৭ ১২:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

কাতারের মিডিয়া হ্যাকিংয়ের গোপন তথ্য ফাঁস করল মার্কিন গোয়েন্দারা

কাতারের আমিরের সঙ্গে সম্পর্কিত মিথ্যা উদ্ধৃতি পোস্ট করার উদ্দেশ্যে ও কাতার-উপসাগরীয় কূটনৈতিক সঙ্কটে ফেলতেই দেশটির সরকারি সোশ্যাল মিডিয়া এবং নিউজ সাইট হ্যাক করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট এ খবর জানিয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়, গত মে মাসে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির নামে কয়েকটি উদ্ধৃতি পোস্ট করা হয়। ওই উদ্ধৃতিতে হামাসের প্রশংসা করা হয় এবং ইরানকে একটি ‘ইসলামি শক্তি’ মন্তব্য করা হয়। জবাবে ‘সন্ত্রাসবাদে’ সমর্থন দেয়ার অভিযোগে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর ও বাহরাইন ৫ জুন কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও পরিবহন সম্পর্ক ছিন্ন করে। যদিও কাতার দৃঢ়ভাবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে। কাতারের পক্ষ থেকে বলা হয় যে, হ্যাকাররা আমিরের নামে মিথ্যা মন্তব্য পোস্ট করেছে। কিন্তু তাদের এই ব্যাখ্যা উপসাগরীয় দেশগুলো কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়। পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নতুন বিশ্লেষিত তথ্য পেয়েছেন। এতে দেখা যায় যে, কাতারের নিউজ মিডিয়া হ্যাক হওয়ার আগের দিন ২৩ মে তারিখে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা পরিকল্পিত হ্যাকের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। এতে আরো বলা হয়, মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন যে সংযুক্ত আরব আমিরাতই এই ওয়েবসাইটগুলো হ্যাক করেছে নাকি হ্যাকের জন্য হ্যাকারদেরকে তারা অর্থ প্রদান করা হয়েছে, সে বিষয়টি যদিও স্পষ্ট নয়। ওয়াশিংটন পোস্টের এই প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি। তবে, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ আল-ওতাবা এক বিবৃতিতে এই প্রতিবেদনকে অস্বীকার করে এটিকে মিথ্যা প্রতিবেদন বলে মন্তব্য করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্রকৃত সত্য হচ্ছে কাতার সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তালেবান থেকে হামাস ও গাদ্দাফিদের মতো চরমপন্থীদের অর্থায়ন ও সহযোগিতা করছে। তারা সহিংসতায় উসকানি দিচ্ছে, মৌলবাদকে উত্সাহিত করছে এবং তার প্রতিবেশিদের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।’

CLOSE[X]CLOSE

আরো খবর