শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ৫ রবিউল আওয়াল, ১৪৩৯ | ১০:৫২ পূর্বাহ্ন (GMT)
ব্রেকিং নিউজ :
X
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি


শুক্রবার, ০৩ নভেম্বর ২০১৭ ০১:০৬:২২ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

মা-ছেলে খুন: গ্রেপ্তার স্বামী আব্দুল করিম ও তার স্ত্রী শারমিন ৬ দিনের রিমান্ডে

ঢাকা: রাজধানীর কাকরাইলে মা শামসুন্নাহার ও ছেলে শাওন খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার স্বামী আব্দুল করিম ও তার তৃতীয় স্ত্রী শারমিন আক্তার মুক্তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। শুক্রবার বিকালে ঢাকা মহানগর মুখ্য হাকিমের আদালত তাদের এই রিমান্ড দেয়। এর আগে আসামীদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে রমনা থানা পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পরেরদিন বৃহস্পতিবার বিকালে নিহত শামসুন্নাহারের ভাই আশরাফ আলী বাদী হয়ে তাদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের হাতে আটক থাকা দুই আসামিকে তাতে গ্রেপ্তার দেখানো হয় বলে জানান রমনা থানার ওসি কাজী মাইনুল হক। এ মামলায় মুক্তার ভাই আল আমিন জনিকেও আসামি করা হয়েছে; তাকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা হচ্ছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা মাইনুল। এর আগে নিহত শামসুন্নাহারের গৃহকর্মী রাশেদা ও দারোয়ান নোমানকে থানায় ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জানা গেছে, আবদুল করিম তিনটি বিয়ে করেছেন। নিহত শামসুন্নাহার করিম তার প্রথম স্ত্রী। এরপর তিনি আরেকটি বিয়ে করছিলেন। কিন্তু চার বছর আগে সেই স্ত্রীকে তালাক দিয়ে মুক্তাকে বিয়ে করেন। তিনি সিনেমায় অভিনয় করতেন। সিনেমা প্রযোজনা করতে গিয়ে মুক্তার সঙ্গে পরিচয় হয় আব্দুল করিমের। এরপর তাকে বিয়ে করেন তিনি। প্রতিবেশিরা জানায়, কিছুদিন আগে আব্দুল করিমের দ্বিতীয় স্ত্রী ও তার ভাই ওই বাসায় গিয়ে প্রথম স্ত্রীকে হুমকি-ধামকি ও মারধর করেন। এর কয়েক দিনের মাথায় এ ঘটনা ঘটল। বুধবার সন্ধ্যায় কাকরাইলের ৭৯/১ নম্বর বাড়ির পঞ্চম তলা থেকে মা শামসুন্নাহার এবং চার তলার সিঁড়ি থেকে ছেলে শাওনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শাওন কাকরাইলের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের ‘ও’ লেভেলের ছাত্র ছিল। ঘটনার সময় শাওনের বাবা আব্দুল করিম বাসায় ছিলেন না। তিনি ব্যবসায়িক কাজে বাইরে ছিলেন বলে জানা গেছে। শাওনরা তিন ভাই। বাকি দুই ভাই লন্ডনে থাকেন। ওই বাসার গৃহকর্মী রাশিদা বেগম বলেন, মাগরিবের নামাজের আগে তিনি ওই বাসায় কাজে যান। রান্নাঘরে থালাবাসন পরিষ্কার করছিলেন। এ সময় হঠাৎ কেউ রান্নাঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। এ সময় তিনি বাসার ভেতর থেকে ‘মাগো’ শব্দ শুনতে পান। অনেকক্ষণ পরে তার ডাক-চিৎকারে দারোয়ান এসে দরজা খুলে দিলে তিনি এই ঘটনা দেখতে পান। পুলিশের ধারণা, ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। হত্যা মিশনে একাধিক ব্যক্তি অংশ নেয় বলেও ধারণা পুলিশের। পারিবারিক শত্রুতার কারণে শামসুন্নাহার ও তার ছেলে শাওনকে হত্যা করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করেছেন মামলার বাদী আশরাফ আলী। তিনি অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে আসামি করেছেন।





আরো খবর