শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৭ আশ্বিন ১৪২৪, ১ মুহাররম, ১৪৩৯ | ০১:০০ পূর্বাহ্ন (GMT)
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
সোমবার, ২১ আগস্ট ২০১৭ ০৪:১১:৩৪ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

নীলফামারী: নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তার দুর্গম চরে মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে তুলে নিয়ে নির্জন স্থানে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার গভীর রাতে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ডিমলা থানায় ৯ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন। নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষায় মেয়েটির ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন গাইনী রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সুলতানা রাজিয়া। বর্তমানে নীলফামারী আধুনিক হাসপাতালে পুলিশ পাহারায় ওই নারীর চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। মামলার আসামিরা হলো- ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ছাতুনামা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আবদুর রহিম (৩০), দেলওয়ার (৩৮), মিষ্টার (৩৪), আইজুল হকের পালিত ছেলে ফিরিজুল (৩৫), ছাটি মামুদের ছেলে নুর মোহাম্মদ (৪৫), মোখলেছার রহমানের ছেলে ফরিদুল ইসলাম (৩৫), আলমগীর হোসেন (৩০), অভয় চরন রায়ের ছেলে নির্মল চন্দ্র (৪০) ও পেন কাটুর ছেলে মঙ্গলু (৪০)। রোববার ভোরে ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নে মাকে বাড়ির উঠানে বেঁধে রেখে ৩ সন্তানের জননীকে তুলে নির্জন স্থানে নিয়ে গণধর্ষণ করে কয়েকজন। পরে মেয়েটির বাড়ি থেকে ১ কিলোমিটার দূরে মুমূর্ষু অবস্থায় মেয়েটিকে এবং বাড়ির উঠানে রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় মাকে উদ্ধার করে পুলিশ। মেয়েটির বাবা বলেন, জামাতা বাড়িতে না থাকায় আমার স্ত্রী, মেয়ে, নাতনী রেখা (৭), পারভীন (৩) ও নাতি সবুজ (৫) ওই বাড়িতে বসবাস করত। রোববার ভোরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মামলার আসামিরা আমার মেয়ের ঘরে ঢুকে হাত পা বেঁধে নিয়ে যায়। এ সময় তারা আমার স্ত্রীকে বাড়ির উঠানে রশি দিয়ে বেঁধে রাখে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিমলা থানার এসআই শাহাবুদ্দিন বলেন, ওই নারীর বাবার ৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

CLOSE[X]CLOSE

আরো খবর