শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭, ৫ কার্তিক ১৪২৪, ২৯ মুহাররম, ১৪৩৯ | ০৪:১৯ অপরাহ্ন (GMT)
ব্রেকিং নিউজ :
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
বৃহস্পতিবার, ০৩ আগস্ট ২০১৭ ০২:২০:০৭ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

অন্তঃসত্ত্বাকে গণধর্ষণের অভিযোগ যুবলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে

ঢাকা: অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে যশোরের অভয়নগর থানা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ সাইফারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন ধর্ষিতা। সংবাদ সম্মেলনে ওই নারী দাবি করেন, তার বাবা অনেক আগেই মারা গেছেন। চার বোনের মধ্যে তিনজনের বিয়ে হয়ে গেছে। মেয়েটি ও তার মা একটি ঘর ভাড়া নিয়ে অভয়নগরে থাকেন। মা অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। নানা বাধা পেরিয়ে চলতি বছর তিনি ৪ দশমিক ৮০ জিপিএ নিয়ে এসএসসি পাস করেছেন সে। মাঝে কয়েক বছর পড়ালেখা বন্ধ ছিল। যশোরের অভয়নগরের জনি সরদারের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। অভয়নগরে হোটেল আল সেলিমের মালিক জনি। প্রেমের সম্পর্কের সুবাদে ২০১৫ সালের ১০ অক্টোবর জনি তাকে হোটেলে ডেকে নিয়ে মৌলভির মাধ্যমে কলেমা পড়িয়ে ও কয়েকটি স্ট্যাম্পে সই নিয়ে বলেন যে তাদের বিয়ে হয়ে গেছে। এরপর থেকে তারা দাম্পত্য সম্পর্ক রক্ষা করতেন। তার অভিযোগ, চলতি বছর তিনি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর জনি তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ দিতে থাকেন। গত ১০ জুন তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গর্ভপাত করানোর চেষ্টা করেন জনি। ওই তরুণী জানান, তিনি যখন তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা, তখন গত ৭ জুলাই মীমাংসার কথা বলে তাকে জনির হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে গর্ভপাত করানোর চেষ্টা হয়। পরে জনি, শেখ সাইফার, সুমন, আজিম মোল্যা ও রুবেল মোল্যা তাকে গণধর্ষণ করেন। তিনি অভয়নগর থানায় গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। এরপর নানা চাপে মাকে নিয়ে তিনি প্রথমে যশোর ও পরে ঢাকায় চলে আসেন। সংবাদ সম্মেলনে তরুণীর সঙ্গে তার মা ও কয়েকজন তরুণ উপস্থিত ছিলেন। ওই তরুণেরা নিজেদের ঘটনার শিকার তরুণীর প্রতিবেশী ও এলাকার লোক বলে পরিচয় দেন। তাদের অভিযোগ, ধর্ষকেরা সবাই সরকারদলীয় নেতাদের কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তবে অভয়নগর থানা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ সাইফার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, ‘কয়েক দিন আগে যশোর থেকে সাংবাদিকেরা ফোন করেছিলেন মেয়েটির অভিযোগের বিষয়ে জানতে। তাদের কাছেই মেয়েটির নাম প্রথম শুনি। আমি যশোরের সাংবাদিকদের বলেছিলাম মেয়েটিকে থানায় পাঠিয়ে দিতে। কিন্তু এরপর মেয়েটি আর আসেনি।’

CLOSE[X]CLOSE

আরো খবর