বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৭, ২ ভাদ্র ১৪২৪, ২৪ জিলকদ, ১৪৩৮ | ০৮:০১ পূর্বাহ্ন (GMT)
ব্রেকিং নিউজ :
X
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
শুক্রবার, ১৬ জুন ২০১৭ ১১:০৬:২৫ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

ফুলবাড়ীতে ফুফার ধর্ষণে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা

কুড়িগ্রাম: জেলার ফুলবাড়ীতে আপন ফুফা কাছে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে ধর্ষণের পর ওই শিশু চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় বিষয়টি জানাজানি হলে ফুলবাড়ী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা হয়। শুক্রবার পর্যন্ত পুলিশ ধর্ষককে গ্রেফতার করতে পারেনি। ঘটনাটি জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোড়কমন্ডল গ্রামে ঘটেছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, গোড়কমন্ডল গ্রামের গোড়কমন্ডল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে একই গ্রামের মৃত মেছের আলী মুন্সির ছেলে ও চার সন্তানের জনক আমিনুল ইসলাম (৫১) ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। ধর্ষণের কথা প্রকাশ করতে চাইলে ওই ছাত্রীকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় তার ফুফা আমিনুল। এরপর প্রাণের ভয়ে বাড়ির কাউকে কিছু না বললেও ধীরে ধীরে মেয়েটির দৈহিক পরিবর্তন দেখা দেয়। এরই ফাঁকে তার বাড়ির মহিলাদের নিকট গত এক সপ্তাহ আগে মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তনে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পায়। এদিকে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে ধর্ষক আমিনুল আত্মগোপন করেন। এরপরে মেয়ের বাবা বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। মেয়েটির মা জানান, আমার মেয়েকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি ধর্ষক আমিনুলের স্ত্রী মিনা বেগম জানতো। সে তার স্বামীকে বাঁচাতে আমার মেয়েকে ওষধ ও লতাপাতা খাইয়ে গর্ভপাত করানোর চেষ্টাও করে। আমরা এ অন্যায় কোনোভাবেই মানবো না। আমার কোমলমতি শিশু নির্যাতনের বিচার চাই। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য অনের উদ্দিন জানান, আমিনুল লালমনিরহাট জেলার মেঘারাম গ্রামের বাসিন্দা। কিন্তু বিগত ১১ বছর আগে সে এ গ্রামে এসে বাদশার চাচাত বোন মিনা বেগমকে বিয়ে করে। তারপর থেকে সে শ্বশুড় বাড়িতে বসবাস শুরু করে। এ ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার ফুয়াদ রুহানী জানান, মেয়েটিকে আলামত পরীক্ষার জন্য বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে অভিযুক্ত আমিনুলকে ধরার জন্য পুলিশ সদস্যরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

CLOSE[X]CLOSE

আরো খবর