বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৭, ৫ মাঘ ১৪২৩, ১৯ রবিউস সানি , ১৪৩৮ | ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন (GMT)
বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৬ ০৩:৫৮:২৮ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

২০৩০ সালের মধ্যেই মঙ্গলে মানবযাত্রা: ওবামা

২০৩০ সালের মধ্যেই মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানো এবং নিরাপদে ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি এই মিশনকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘পরিষ্কার লক্ষ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড মিরর-এর তথ্যমতে মঙ্গলকে বাসযোগ্য করার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান এবং মার্কিন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছেন ওবামা। মঙ্গল মিশন নিয়ে স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্কের সুরে সুর মিলিয়ে এবার সরকার ও “ব্যক্তিগত উদ্ভাবকদের” এক সঙ্গে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে ওবামা বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গল্পে পরবর্তী অধ্যায় হিসেবে আমরা একটি পরিষ্কার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। তা হলো মঙ্গলে ২০৩০ সালের মধ্যে মানুষ পাঠিয়ে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা।” তিনি আরও বলেন, “মঙ্গল গ্রহে যেতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্ভাবকদের মধ্যে সহযোগিতার প্রয়োজন হবে এবং আমরা ইতোমধ্যে এটা নিয়ে ভালোভাবে কাজ করছি। দুই বছরের মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে মহাকাশচারীদের পাঠানোর ইচ্ছা পোষণ করেছে।” আলাদাভাবে ইলন মাস্কের কথা উল্লেখ করেননি ওবামা। যদিও স্পেসএক্স প্রতিষ্ঠাতা মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর ক্ষেত্রে নিজস্ব পরিকল্পনার জন্য বেশ পরিচিত। চলতি বছরের ১ জুন অনুষ্ঠিত কোড কনফারেন্সে মঙ্গলের সময়সূচী নিয়ে আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে মাস্ক বলেন, "যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে, তাহলে আমরা ২০২৪ সালে মানুষ পাঠানো শুরু করতে পারবো, যেটি পৌঁছাবে ২০২৫ সালে।" অতঃপর ২৬ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানের শক্তিশালী 'র‌্যাপ্টর' ইঞ্জিন প্রথমবারের মতো পরীক্ষা করে দেখা হয়। ভার্জের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই 'র‌্যাপ্টর' ইঞ্জিনটিই মঙ্গলে মানুষ প্রেরণের কাজে ব্যবহার করা হবে। এদিকে বারাক ওবামা নাসার সঙ্গে ঘোষণা করেছেন মঙ্গলগ্রহকে ভবিষ্যতের বাসস্থান হিসেবে তৈরিতে সাহায্যকারী সাত প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হবে। ওবামা ভবিষ্যতের মহাকাশ ভ্রমণ নিয়ে বলেছেন, “আশা করি কোনো একদিন আমি আমার কাঁধে আমার নিজের নাতি-নাতনিদের ওঠাবো। যেমনটা মানুষ শুরু থেকে করে আসছে, আমরাও অবাক হয়ে তারার দিকে তখনও তাকিয়ে থাকব।”

আরো খবর