শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ১ পৌষ ১৪২৪, ২৬ রবিউল আওয়াল, ১৪৩৯ | ০৭:৪৮ অপরাহ্ন (GMT)
ব্রেকিং নিউজ :
X
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি


সোমবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:১৬:৩৭ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

মালয়েশিয়ায় বেতন দিচ্ছে না কিছু কোম্পানি

কুয়ালালামপুর: সাতক্ষীরার যুবক ইসমাইল হোসেন অভিযোগ তিনিসহ মোট ২৬ জন শ্রমিক কলিং ভিসায় মালয়েশিয়ার টিএলটি কোম্পানিতে এসেছিলেন আড়াই মাস আগে। এরপর কাজ শুরু করেন। আড়াই মাস কাজ করার পরও কোম্পানি তাদের এক দিনেরও বেতন দিচ্ছে না। কোম্পানি থেকে বেরও হতে দিচ্ছে না। উল্টো বেতন, ওভারটাইম চাওয়ার অপরাধে কোম্পানির সুপারভাইজারেরা তাকেসহ কয়েক শ্রমিককে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছেন। এমনকি কথার প্রতিবাদ করলে তখন তাদের মারধর করা হয়। ইসমাইলের দাবি বেতন না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ২৬ শ্রমিকের মধ্যে একজন কোম্পানি থেকেই কয়েক দিন আগে পালিয়ে যান। নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে এমন অভিযোগ করেন জহুরবারুর ওই যুবক। তার অভিযোগ, তাদের কোম্পানির মতো বর্তমানে মালয়েশিয়ায় কলিং ভিসায় আসা আরো অনেক কোম্পানি ঠিকমতো বেতন, ওভারটাইম দিচ্ছে না। রয়েছে আবাসন সমস্যাও। তবে এসব অভিযোগের ব্যাপারে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনে অদ্যাবধি কোনো শ্রমিক কোনো কোম্পানির বিরুদ্ধেই লিখিত অভিযোগ করেননি। জমিজমা বিক্রি আর ধারদেনা করে সাড়ে তিন লাখ টাকা খরচ করে এ দেশে এসেছি। যদি বেতনই না পাই, তাহলে কেন কাজ করব? তার বক্তব্য এ অবস্থা চলতে থাকলে অন্য শ্রমিকেরাও পালিয়ে যাবেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ঢাকার বনানীর একটি অফিস থেকে তাদের মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়। তাছাড়া নতুন কলিং পদ্ধতিতে শ্রমিক যাওয়ার পর বেশির ভাগ শ্রমিকের থাকার সমস্যা হচ্ছে। কোনো কোনো কোম্পানি লেভির নামে শ্রমিকদের বেতন থেকেই টাকা কেটে নিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (শ্রম) সায়েদুল ইসলাম মুকুল এ প্রসঙ্গে জানান, নতুন কলিংয়ে এসে কোনো শ্রমিক কাজ পাচ্ছেন না, বেতন পাচ্ছেন না, এটা আমি মোটেও বিশ্বাস করতে পারছি না। এর পরও আমি জহুরবারুর টিএলটি কোম্পানিতে খোঁজ নিয়ে জানব ঘটনার পেছনে কী রয়েছে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার শহীদুল ইসলাম জানান, আগে যে পদ্ধতিতে মালয়েশিয়ায় লোক আসত তখন কোনো সিস্টেম মানা হতো না। এখন আর আগের সেই দিন নেই। নতুন সিস্টেমে এ দেশে যেসব শ্রমিক আসছেন তাদের বেকার থাকার কোনো সুযোগ নেই। যদি কোনো শ্রমিক সমস্যায় আছেন এমন লিখিত অভিযোগ যায় তাহলে লেবার ল অনুযায়ী একজন শ্রমিকের সমস্যার জন্য ৩২ হাজার রিংগিত জরিমানা গুনতে হবে কোম্পানিকে





আরো খবর