শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭, ৫ কার্তিক ১৪২৪, ২৯ মুহাররম, ১৪৩৯ | ০৪:১৮ অপরাহ্ন (GMT)
ব্রেকিং নিউজ :
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট ২০১৭ ০৬:০৯:০৩ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

যুক্তরাজ্যে ধর্ষণের দায়ে বাংলাদেশিসহ ১৮ জন দোষী সাব্যস্ত

ধর্ষণসহ ১০০টি অপরাধের দায়ে ১৮ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে দোষী সাব্যস্ত করেছে যুক্তরাজ্যের আদালত। তাদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি রয়েছেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। বুধবার নিউক্যাসল ক্রাউন কোর্ট তাদের দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেয়। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর সাজা ঘোষণা করা হবে। দোষী ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ আজরাম, জাহাঙ্গীর জামান, নাসির উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ হাসান আলী, ইয়াসির হোসেন, আবদুল সাবে, হাবিবুর রহিম, বদরুল হোসেন, মহিবুর রহমান, আবদুল হামিদ, মনজুর চৌধুরী, প্রভাব নেলি, ইশা মৌসাভি, তাহেরুল আলম, নাদিম আসলাম, রেদওয়ান সিদ্দিক ও এই চক্রের একমাত্র নারী সদস্য ক্যারোলাইন গ্যালন। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দোষীদের মধ্যে শ্বেতাঙ্গ নারী ছাড়া বাকিরা বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, ইরাক, ইরান ও তুরস্কের বংশোদ্ভূত। তবে কতজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত, তা জানা যায়নি। অভিযোগে বলা হয়, নিউক্যাসল এলাকার সংঘবদ্ধ এই যৌন নিপীড়ক চক্র মদ ও মাদকের প্রলোভন দেখিয়ে অসহায় শ্বেতাঙ্গ কিশোরী-তরুণীদের প্রলুব্ধ করতেন। তাদের যৌন কাজে ব্যবহার করতেন। অনেক সময় মাদক সেবন করিয়ে অচেতন অবস্থায় তাদের ধর্ষণ করা হতো। ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মোট ২০ জন শ্বেতাঙ্গ কিশোরী-তরুণী এই চক্রের দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে আদালতের শুনানিতে বলা হয়। অভিযুক্ত ১৮ জনকে ধর্ষণ, মানবপাচার, মাদক সরবরাহ ও পতিতাবৃত্তির ষড়যন্ত্রসহ মোট ১০০টি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ভুক্তভোগী কিশোরী-তরুণীদের বয়স ১৩ থেকে ২৫ বছর। শিশু ও অসহায় নারীদের যৌন নিপীড়ন বন্ধে পুলিশ একটি অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানে ২৭৮ জন ভুক্তভোগী এবং সম্ভাব্য যৌন নিপীড়নের ঝুঁকিতে থাকা ১০৮ জন ভুক্তভোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। যৌন অপরাধের তদন্তে পুলিশ শিশু ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে ২১ মাসে প্রায় ১০ হাজার পাউন্ড দিয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজে লাগায়। তবে শিশু নিপীড়ককে অর্থ দিয়ে তদন্তের কাজে লাগানো উচিত হয়েছে কিনা, তা নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। পুলিশ ব্যাখ্যা দিয়ে নিজেদের অবস্থানকে ন্যায্য বলে দাবি করেছে।

CLOSE[X]CLOSE

আরো খবর