রোববার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৩, ২৯ জমাদিউল আওয়াল, ১৪৩৮ | ১০:২৪ পূর্বাহ্ন (GMT)
শিরোনাম :
  • নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছে আ.লীগ: কাদের
  • ইসি নয়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে হার্ডলাইনে যাবে বিএনপি
রোববার, ০৬ নভেম্বর ২০১৬ ০৯:৩৫:৫৩ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

প্রধান শিক্ষিকার নির্দেশে মাটি টানার কাজ করল শিক্ষার্থীরা

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের ‘আসনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে শ্রমিকের কাজ করানোর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার প্রখর রোদে মধ্যে বেতের ভয় দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের দিয়ে মাটি টানার কাজ করিয়েছেন বিদ্যালয়টির  প্রধান শিক্ষিকা তহমিনা খাতুন। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য আঙিনায় ফুলের বাগান করা হচ্ছে। এ জন্য বাইরে থেকে ট্রাক্টরে করে মাটি আনা হয়েছে। সেই মাটি সরানোর জন্য শ্রমিক না নিয়ে স্কুলের শিশু শিক্ষার্থীদের দিয়ে কাজটি করানো হয়েছে। বেলা ১২টার সময় প্রখর রোদে ওই শিক্ষার্থীদের বেতের ভয় দেখিয়ে কষ্টদায়ক এই কাজটি করানো হয়। আরো অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতি মাসে চাঁদা তুলে আয়ার বেতন দেওয়া হয়, যা একেবারেই বিদ্যালয়ের নিয়মবহির্ভূত। এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা জানায়, মারের ভয় দেখিয়ে তাদের দিয়ে ওই মাটি টানার কাজ করানো হয়। তারা আরো বলে, প্রায় দিনই তাদের দিয়ে স্কুলমাঠে পড়ে থাকা নোংরা কাগজ তুলে পরিষ্কার করানো হয়। অভিভাবক মাসুম রেজা এই ঘটনার সমালোচনা করে বলেন, ‘আমরা আমাদের সন্তানকে স্কুলে পাঠিয়েছি পড়াশোনা করানোর জন্য, শ্রমিকের কাজ করার জন্য নয়। প্রধান শিক্ষিকা আমাদের শিশুসন্তানদের দিয়ে শ্রমিকের কাজ করিয়ে চরম অন্যায় করেছেন। আমরা এর উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।’ এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা তহমিনা খাতুনের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি বলেন, স্কুলে ফুলের বাগান করার জন্য মাটি আনা হয়েছে। সেই মাটি চুরি হয়ে যাচ্ছিল। তাই শিক্ষার্থীদের দিয়ে মাটি সরানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন ঈশ্বরদী উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা।

আরো খবর